পাবনায় শিশু ধর্ষণ ও হত্যা প্রধান অভিযুক্তের বাড়ি ভাংচুর, রোববার মহাসড়ক অবরোধের ঘোষণা
সমাজের নিউজ ডেক্সঃ পাবনা সদর উপজেলায় কামরুন্নাহার কলি নামের ১০ বছর বয়সী এক শিশুকে ধর্ষণের পর হত্যার ঘটনায় প্রধান অভিযুক্ত মোস্তফা প্রামানিকের বাড়ি দ্বিতীয় দফায় ভাংচুর করেছে বিক্ষুব্ধ জনতা। শুক্রবার দুপুরে উপজেলার কুলুনিয়া এলাকায় হাজার হাজার মানুষ ও পুলিশের উপস্থিতিতে প্রথমে বাড়ী ও দোকান ভাংচুর করে, শনিবার দ্বিতীয় দফায় আবরও ভাংচুর করেছে।
বিক্ষুব্ধ জনতা রোববার সকাল ৮টা থেকে পাবনা ঢাকা মহাসড়ক অবরোধ ও বিক্ষোভ মিছিলের কর্মসুচি ঘোষনা করেছেন। নিখোজের ৭ দিন পর গত বুধবার সকালে নিজ বাড়ির পাশের একটি পুকুর থেকে ওই শিশুর বস্তাবন্দি গলিত মরদেহ উদ্ধার করে পুলিশ।
এ ঘটনায় স্থানীয় মুদি দোকানদার মো. মোস্তফা প্রামাইনক (৫৫) এবং একই এলাকার ভাড়াটিয়া মো. ইয়াসিন (২৫) কে গ্রেপ্তার করে বৃহস্পতিবার আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠানো হয়েছে।
বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় পাবনা পুলিশ সুপার কার্যালয়ে সংবাদ সম্মেলনে পুলিশ জানায়, গত ৯ সেপ্টেম্বর সন্ধ্যায় শিশুটি নিখোঁজ হয়। তাকে নিজের দোকানের পেছনে একটি ঘরে নিয়ে যায় মোস্তফা। সেখানে শিশুটিকে ধর্ষণের পর শ্বাসরোধ করে হত্যা করে। পরে মরদেহটি একটি প্লাস্টিকের বস্তায় ভরে রাখে মোস্তফা। রাতে বস্তাটি পাশের পুকুরে ফেলে দেয়। এ খবর ছড়িয়ে পড়লে গ্রামবাসীর মধ্যে ক্ষোভের সৃষ্টি হয়। ফলে হাজার হাজার মানুষ একত্রিত হয়ে শুক্রবার দ্বিতল বাড়ী ভাংচুর শুরু করে। শনিবারও তা অব্যাহত থাকে।
ওসি তরিকুল ইসলাম বলেন, শুক্রবার ও শনিবার দুপুরে উত্তেজিত জনতা সংগঠিত হয়ে মোস্তফার বাড়ি হামলা ও ভাঙচুর করে। ঘটনাস্থলে পুলিশ উপস্থিত ছিল। তারা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনার চেষ্টা করেন। তবে বিপুলসংখ্যক মানুষের ভিড় ও ক্ষোভের কারণে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে কিছুটা বেগ পেতে হয়।
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!