বেনাপোলের সাংবাদিকদের সাথে সিএন্ডএফ এজেন্ট এসোসিয়েশনের মতবিনিময় সভা
সমাজের নিউজ ডেক্সঃ বেনাপোলে কর্মরত ইলেকট্রনিক্স ও প্রিন্ট মিডিয়ার সাংবাদিকদের সাথে সিএন্ডএফ এজেন্ট এসোসিয়েশন নের্তৃবৃন্দের মতবিনিময় সভা বৃহস্পতিবার সকালে অনুষ্ঠিত হয়েছে। সঠিক তথ্য উপস্থাপন পূর্বক সংবাদ পরিবেশন করার জন্য বলেন। মনগড়া ও ভূল তথ্যের উপর সংবাদ পরিবেশন করে দেশের সর্ববৃহৎ স্থলবন্দরে পণ্য আমদানিতে নিরুৎসাহিত হচ্ছে আমদানিকারকরা।
বেনাপোল সি এন্ড এফ এজেন্ট এসোসিয়েশনের সভাপতি আলহাজ্ব শামসুর রহমানের সভাপতিত্বে বক্তব্য রাখেন বেনাপোল সি এন্ড এফ এজেন্ট এসোসিয়েশনের সিনিয়র সভাপতি আলহাজ্ব খাইরুজ্জামান মধু, বেনাপোল সি এন্ড এফ এজেন্ট এসোসিয়েশনের যুগ্ম সম্পাদক আবু তাহের ভারত। দৈনিক সংবাদ এর বেনাপোল প্রতিনিধি আলহাজ্ব জামাল হোসেন, বাংলাদেশ প্রতিদিনের বেনাপোল প্রতিনিধি আলহাজ্ব বকুল মাহবুব, সময় টেলিভিশনের বেনাপোল প্রতিনিধি আজিজুল হক, যায়যায় দিনের বেনাপোল প্রতিনিধি জি এম আলী আশরাফ, দিনকালের শার্শা প্রতিনিধি মতিয়ার রহমান মতিন ও সীমান্ত প্রেসক্লাব বেনাপোল এর সাধারণ সম্পাদক মো. আইয়ুব হোসেন পক্ষী । কিছু সাংবাদিক ভূল তথ্য উপস্থাপন করে সংবাদ সম্প্রচার করছে তাতে বেনাপোল বন্দর ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে। বন্দর ক্ষতিগ্রস্থ্য হলে তার দায় শুধু সি এন্ড এফ এজেন্ট এসোসিয়েশনের নয়, সকলের। বেনাপোল বন্যদরের ব্যবসা যদি অন্য বন্দরে চলে যায়, তবে সবাই ক্ষতিগ্রস্থ্য হবেন।
সিএন্ডএফ এজেন্ট এসোসিয়েশনের যুগ্ম-সাধারণ সম্পাদক মো. আবু তাহের ভারত বলেন বেনাপোল বন্দরে আসা প্রতিটি ট্রাক থেকে অবৈধভাবে ৯৭০ টাকা করে বাড়তি টোল আদায় করা হচ্ছে। প্রতিদিন ৩৫০-৪০০ ট্রাক আসার ফলে এই অবৈধ আদায়ের পরিমাণ মাসে প্রায় কোটি টাকায় দাঁড়ায়। এই অতিরিক্ত খরচের কারণে আমদানি-রপ্তানিকারকরা বেনাপোল ছেড়ে ভোমরা বন্দরে চলে যাচ্ছেন।
এই অভিযোগের প্রেক্ষিতে অ্যাসোসিয়েশনের সিনিয়র সহ-সভাপতি খাইরুজ্জামান মধু বলেন, আমি এই কোটি টাকা কোনো ব্যক্তিবিশেষের পকেটে যাওয়ার পক্ষে নই। এই টাকা তোলা বন্ধ করতে হবে।
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!