গাছ বিক্রয় করেও কাটতে বাধা চাঁদাবাজদের
নিজস্ব সংবাদদাতা: যশোরের শার্শায় চাঁদার টাকা না পেয়ে ইদ্রিস আলী নামে এক ব্যক্তির নিজের মালিকানা জমির গাছ কেটে বিক্রয়ে বাঁধা ও হয়রানির অভিযোগ উঠেছে তিন জনৈক পরিচয়দানকারী ব্যক্তির বিরুদ্ধে । গত (১৯ অক্টোবর) সোমবার সকালে উপজেলার ৭নম্বার কায়বা ইউনিয়নের পশ্চিমকোটা (রাইস মিল) মড়ে এ ঘটনাটি ঘটে।
জানা গেছে, উপজেলার পশ্চিমকোটা রাইস মিল মোড়ের বাসিন্দা ইদ্রিস আলী তার মালিকানাধীন জমির উপরে লাগানো তিনটি মেহগনি গাছ একই এলাকার কাঠ ব্যবসায়ী ভোলার কাছে ত্রিশ হাজার টাকার বিনিময়ে বিক্রয় করেন। পরে ভোলা সেই ক্রয়কৃত তিনটি গাছ কেটে বাজারে বিক্রয়ের উপযোগী করতে চারজন শ্রমিক নিয়ে গাছ কাটার কাজ শুরু করেন। প্রতিমধ্যে অভিযুক্ত সেলিম আহম্মেদ, মিরাজ গংরা গাছ কাটতে বাঁধা দেয়। পরবর্তীতে ফেসবুকের মাধ্যমে একাধীক প্রিন্ট পত্রিকায় সরকারি জমির গাছ কেটে বিক্রয়ের অভিযোগ তুলে সংবাদ প্রকাশে সহযোতা করেন তারা।
জমির মালিক ইদ্রিস আলী বলেন- আমি জমির প্রকৃত মালিক। টাকার প্রয়োজনে আমি আমার জমিতে রোপনকৃত গাছ কাঠ ব্যবসায়ী ভোলার গাছে বিক্রয় করেছি। ভোলা সেই গাছ কেটে বাজারে বিক্রি করার জন্য কাজ করছিলো। এসময় ২/৩ জন ব্যক্তি হুমকি ধামকি দিয়ে কাজে বাঁধা প্রদান করে মোবাইলে ছবি তুলে নিয়ে চলে যায়। এবং বাগআঁচড়া বাজারে দেখা করতে বলে। আমি দেখা না করায় তারা কায়বা ইউনিয়ন পরিষদে কর্মরত একজন ব্যক্তিকে পাঠিয়ে গাছ কাটা কাজ পুরোপুরি বন্ধ করে দেয়।
কাঠ ব্যবসায়ী ভোলা বলেন- আমি ওই দিন আমার ক্রয়কৃত ৩ টি গাছ কাটতে ৮ জন শ্রমিক নিয়ে কাজ শুরু করি। এসময় হুমায়ুন কবির মিরাজ সেলিম আহম্মেদসহ বেশ কয়েকজন ব্যক্তি হুমকি ধামকি দিয়ে কাজ বন্ধ করে দেয়। শ্রমিকদের কাজে বাঁধা দেওয়ার কারণে তারা কাজ শেষ না করেই চলে যায়। কিন্তু শ্রমিকরা কাজ না করলেও তাদের হাজিরার টাকা আমাকে দিতে হয়েছে। এতে একদিকে আমার অর্থের ক্ষতি হয়েছে, অপরদিকে হয়রানিরও শিকার হয়েছি।
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!